বিয়া্নীবাজার ও গোয়াইনঘাটে দুই যুবকের লাশ উদ্ধার
প্রকাশিত হয়েছে : ১১:২৪:১১,অপরাহ্ন ১৮ জুলাই ২০১৯ | সংবাদটি ৩০৩ বার পঠিত
বিয়া্নীবাজার ও গোয়াইনঘাট উপজেলার ডোবা ও চা বাগান এলাকা থেকে দুই যুবকের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে বিয়ানীবাজার উপজেলার মুড়িয়া ইউনিয়নের ঘুঙ্গাদিয়া এলাকার হিলু টিলার পাশের একটি ডোবা থেকে শেহনাজ আহমদ (২৪) নামের এক যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
স্থানীয়দের দেওয়া খবরের ভিত্তিতে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
শেহনাজ আহমদ উপজেলার মুড়িয়া ইউনিয়নের ঘুঙ্গাদিয়া গ্রামের প্রয়াত আতাউর রহমানের ছেলে।
বিয়ানীবাজার থানার তদন্ত অফিসার রুমেল আহমদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন না থাকায় তার মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেছে।
এদিকে, একইদিন বিকেলে গোয়াইনঘাটের জাফলং চা বাগান সংলগ্ন নকশিয়াপুঞ্জির এলাকার আমের তল থেকে ভাড়ায় চালিত মোটর সাইকেল চালক নির্মল বিশ্বাসের (২৬) লাশ উদ্ধার করেছে গোয়াইনঘাট থানা পুলিশ।
নির্মল বিশ্বাস উপজেলার নকশিয়াপুঞ্জি গ্রামের নিখিল বিশ্বাসের ছেলে।
তবে ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করা হলেও তার ব্যবহৃত মোটর সাইকেলটি সেখানে পাওয়া যায়নি। মোটর সাইকেলের জন্যই এ হত্যাকান্ডের ঘটনা ঘটতে পারে বলে প্রাথমিক ভাবে ধারণা করছে পুলিশ।
নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নির্মল বিশ্বাস ভাড়ায় চালিত মোটর সাইকেল চালাতেন। এরই সুবাধে প্রতিদিনের মতো গত বুধবার বিকেলে তিনি তার নিজের টিভিএস মেট্রোপ্লাস মোটর সাইকেলটি নিয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান। এরপর সন্ধ্যা ঘনিয়ে রাত হলেও বাড়িতে ফিরে না আসায় রাত ১১ টার দিকে বাবা নিখিল বিশ্বাস তার মোবাইলে ফোন দিয়ে খোঁজ নেন। এ সময় নির্মল বিশ্বাস ঘন্টা খানিক পরে বাড়ি ফিরবেন বলে ফোনে তার বাবাকে জানিয়ে দেয়। কিন্তু রাত পেরিয়ে ভোর হলেও সে আর বাড়ি ফেরেনি। এমনকি তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যায়।
বৃহস্পতিবার বিকেলে জাফলং চা বাগান সংলগ্ন নকশিয়াপুঞ্জি এলাকায় অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ পড়ে আছে এমন খবর শুনে সেখানে গিয়ে লাশটি নির্মলের বলে সনাক্ত করেন তার ছোট ভাই পরিমল বিশ্বাস।
খবর পেয়ে গোয়াইনঘাট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জুনেদ আহমেদ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠান।
গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল জলিল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, কি কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে আপাতত সঠিকভাবে বলা যাচ্ছে না। তবে খুব শিঘ্রই এ হত্যাকান্ডের রহস্য উন্মোচন করে এর সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি জানান।

