সবার সহযোগীতায় বাঁচতে চায় সপ্তম শ্রেণীর ছাত্রী সানজানা
প্রকাশিত হয়েছে : ১২:৩৩:০৪,অপরাহ্ন ০২ আগস্ট ২০১৯ | সংবাদটি ৩৯২ বার পঠিত

সৈয়দা সানজানা আক্তার। বয়স মাত্র ১৩ বছর। লেখাপড়া করছে মৌলভীবাজারের রাজনগর আইডিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণিতে। হাসিখুশি এক কিশোরী। যে বয়সে তার ছুটে চলার কথা গ্রামের মেঠোপথে। দুরন্তপনায় আর খেলাধুলায় ব্যস্ত থাকার কথা সারাদিন। কিন্তু না, তার সবই থমকে গেছে। এই বয়সেই দুরারোগ্য ব্যাধি লিউকেমিয়ায় (ব্লাড ক্যান্সার) আক্রান্ত হয়ে আটকে আছে চার দেয়ালের ভেতর। হাসপাতালের বিছানায়।
সানজানা বাড়ি মৌলভীবাজারের রাজনগর উপজেলার মহাসহস্র গ্রামে। বাবা সৈয়দ আলম হোসেনের পেশায় কৃষক। অভাবের সংসারেও সুখ ছিল অনেক। সেই সুখ স্থায়ী হলো না। সবার মায়া-মমতাকে দূরে ঠেলে সানজানা এখন চিকিত্সা নিচ্ছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালে। হাসপাতালের বিছানায় শুয়েই তার দিন কাটছে।
গত পাঁচ-ছয় মাস ধরে সে এই ব্যাধিতে আক্রান্ত। প্রথম দিকে সানজানা ঘনঘন জ্বরে আক্রান্ত হলেও বাড়ির কেউই টের পাননি সে এক দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত। সম্প্রতি তার এই রোগ ধরা পড়ে। তারপর থেকেই সানজানা ও তার পরিবার তাকে সুস্থ করে তোলার জন্য চিকিত্সকদের শরণাপন্ন হয়েছে।
গত কিছু দিন ধরে সানজানা বিএসএমএমইউয়ের শিশুস্বাস্থ্য বিভাগের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. আফিকুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে চিকিত্সা নিচ্ছে। চিকিত্সকরা জানিয়েছেন অনেক টাকা লাগবে। কিন্তু এত টাকা পাবেন কোথায় কৃষক আলম। তা নিয়েই পরিবারের সবাই দুশ্চিন্তায়। কিন্তু তারা মেয়েকে সুস্থ করে তুলতে চান। তার সেই দুরন্তপনার কৈশোরে নিয়ে যেতে চান। সহপাঠীদের সঙ্গে স্কুল মাতিয়ে রাখবে আগের মতোই- এমন দৃশ্য দেখতে চান।
এ অবস্থায় সানজানার পরিবার সমাজের হৃদয়বান বিত্তশালী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের আর্থিক সাহায্য চেয়েছেন। সমাজের হৃদয়বান ব্যক্তিরা যদি একটু নজর দেন সানজানার দিকে তাহলে হয়তো অর্থের অভাবে চিকিত্সা বঞ্চিত হবে না ছোট্ট এই কিশোরী।
পরিবারের পক্ষ থেকে অনুরোধ করা হয়েছে কেউ যদি সাহায্য করতে চান তাহলে নিম্নে দেয়া ব্যাংক হিসাব কিংবা বিকাশ ও রকেট নম্বরে যোগাযোগ করতে পারেন। সৈয়দা ফাহমিদা বেগম (সানজানার বোন), হিসাব নং- ৩৮৯২১০১০৩৪৮০৪, পূবালী ব্যাংক লিমিডেট, টেংরাবাজার শাখা, রাজনগর, মৌলভীবাজার অথবা বিকাশ- ০১৭২২-৯৯০০৪৪, রকেট- ০১৭৬৩-৪৭৯৬৮০।
