না বলা কথাগুলো-জয়নুস সালেহীন
প্রকাশিত হয়েছে : ১১:৪৪:০৬,অপরাহ্ন ০৯ ডিসেম্বর ২০১৬ | সংবাদটি ৯৫৮ বার পঠিত
আপনি যে কোন প্রতিষ্ঠানে থাকুন না কেনো দয়া করে ঐ প্রতিষ্ঠানের বস কিংবা ডেপুটি বসের সমালোচনা করবেন না ঘরে কিংবা বাহিরে! কেননা আপনি জানেন না ঐ চেয়ারে বসে আপনার বস কিংবা ডেপুটি বস কিভাবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। ঐ চেয়ারে আপনি যত দিন না বসবেন ততদিন পর্যন্ত আপনি বুঝতে পারবেন না ঐ চেয়ারের অবস্থান। কারণ আপনি যখন কিছু দেখেন কিংবা শোনেন তখন আপনার দুটি চোখ কিংবা কান এসবের আওতায় আসে কিন্তু ঐ চেয়ারে যিনি বসেন তাহার হাজারো চোখ কিংবা কান একসাথে কাজ করে থাকে। তাই অযথা সময় নষ্ট না করে কাজ করে যান; দেখবেন আপনিও একদিন ঐ চেয়ারে বসার যোগ্যতা অর্জন করেছেন! মূলত আপনি যদি ঐ প্রতিষ্ঠানে শেষ পর্যন্ত কাজ করতে চান তবে অযথা আপনার বস কিংবা ডেপুটি বসের কুনজরে আসবেন না খামোকা সমালোচনা করে! অযথা কেনো আপনি তিক্ততা বাড়াবেন? সব সময় সুনজরে থাকার চেষ্টা করুন আপনার নীতি, নৈতিকতা, সততা, আদর্শ, ব্যক্তিত্ব আর কর্মের মাধ্যমে; ইনশাআল্লাহ একদিন আপনি আপনার কাজের মূল্যায়ণ পাবেন। এ ধরণীর বুকে যে বা যারা জীবনে কামিয়াবী হাসিল করেছেন তারা সবাই কিন্তু কাজের মাধ্যমে নিজেকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করেছেন অন্য কোন উপায়ে নয়। তবে হ্যা; আপনার বস কিংবা ডেপুটি বসের কোন কাজ আপনার দৃষ্টিতে মনোঃপুত না হয় কিংবা তাঁর সিদ্ধান্ত আপনার প্রতিকুলে যায় তবে সেটার সমালোচনা যেখানে সেখানে না করে একান্তে নিজের বস কিংবা ডেপুটি বসের সাথে ঠান্ডা মাথায় আলোচনায় করুন, ধৈর্য্য ধরে তাঁর কথা শুনুন কিংবা আপনার মতামত পেশ করুন। দেখবেন হয়তো তাঁর কথাই ঠিকঃ আর যদি আপনার কথা ঠিক হয় তবে নিশ্চয় তিনি সেটা উপলব্ধি করতে সক্ষম হবেন কেননা একটি প্রতিষ্ঠানের বস কিংবা ডেপুটি বস কখনোই ঐ পর্যায়ে যাওয়ার যোগ্যতা ছাড়া নির্ধারণ করা হয় না! তাই আপনি যদি আপনার জীবনে কামিয়াবী হাসিল করতে চান তবে অযথা সময় নষ্ট না করে আপনার নিজের কাজ চালিয়ে যানঃ অপরের প্রতি শ্রদ্মা, ভালোবাসা, সম্মান বজায় রেখে ধৈর্য্য ধরে সহানুভূতির সাথে সহমর্মিতার পরশে নিজেকে এই ধরণীর বুকে বিলিয়ে দিনঃ ইনশাআল্লাহ আপনার জয় নিশ্চিত; আপনি আপনার জীবনের সকল পর্যায়ে কামিয়াবী হাসিল করবেন॥

